অল্পতেই পরিতৃপ্ত ও সন্তুষ্ট হওয়া মুমিনের একটি মহৎ গুণ। অনন্য এ গুণটি যার অর্জিত হয়, জীবনের শত দুঃখ-কষ্ট ও অপূর্ণতায় তার কোনো আক্ষেপ থাকে না। আল্লাহ প্রদত্ত নির্ধারিত জীবন-জীবিকায় তিনি তুষ্ট থাকেন। আর অধিক চাহিদা, না পাওয়ার হাহাকার এবং অন্যের ভোগ্য সামগ্রীর ওপর অধিকার লাভের বাসনা একজন মুমিনের জন্য কল্যাণকরও নয়।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘পার্থিব ভোগ্য সামগ্রীতে একে অন্যের ওপর আধিক্য লাভের বাসনা তোমাদের উদাসীন করে রাখে। যতক্ষণ না তোমরা কবরে পৌঁছ। এটা কিছুতেই সংগত নয়। শিগগিরই তোমরা জানতে পারবে।’ (সূরা তাকাসুর, আয়াত, ১-৪)
অল্পতে তুষ্ট হওয়ার গুণ অর্জন একটু কঠিনই বটে। কারণ মানুষের চাহিদার অন্ত নেই। আমৃত্যু তা পূরণে ব্যস্ত থাকে সে। তার সীমাহীন এ চাহিদার অবসান ঘটাতে পারে শুধু কবরের মাটি।
আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যদি বনি আদমের স্বর্ণভরা একটা উপত্যকা থাকে, তথাপি সে তার জন্য দুটি উপত্যকা হওয়ার কামনা করবে। তার মুখ মাটি ছাড়া অন্য কিছুতেই ভরবে না। তবে যে ব্যক্তি তাওবা করবে, আল্লাহ তার তাওবা কবুল করবেন। (বুখারি, হাদিস, ৬৪৩৯)