আদালতের প্রবেশদ্বারের নামফলকে এখনও অক্ষত আছে অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের নাম। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সে পথ পাড়ি দিতে হলো হাতকড়া পরা অবস্থায় তাকে।

নিজস্ব প্রতিবেদক,
মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকালে ঢাকার সিএমএম আদালতে তোলা হয় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলামকে। নিউমার্কেট থানায় করা ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলার ৫৬ নম্বর আসামি হিসেবে তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আজিজুল হক দিদার শুনানিতে অভিযোগ করে বলেন, জুলাই গণহত্যার মাস্টারমাইন্ডের ভূমিকায় থাকার পাশাপাশি আইন প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে বিচার বিভাগকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।
সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে শুনানিতে কনিষ্ঠদের আচরণে বিচারকের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেন আইনজীবী কামরুল ইসলাম।
এসময় বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের উদ্দেশে তিনি হুঁশিয়ারি দিলে কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠেন এজলাস কক্ষ। পরে জামিন আবেদন গ্রহণ না করে তাকে ৮ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক জিয়াদুর রহমান।
অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন পরে সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুল। সোমবার রাতে রাজধানীর উত্তরা থেকে তাকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ।